নিয়ম অনুযায়ী, পুনঃখননের মাটি পাড়ের মালিকানা জমিতে নির্দিষ্ট পরিমাণে রাখার কথা থাকলেও তার তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। অতিরিক্ত মাটি সরিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে ওই চক্রটি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নদীর পাড়ের জমির মালিক ও সাধারণ মানুষ। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে একাধিকবার সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল করা হলেও থামেনি মাটি লোপাট।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সেনাবাহিনীর তদারকিতে পরিচালিত এ খনন কাজ নিয়ে অভিযোগ জানানো হলেও কাক্সিক্ষত প্রতিকার মিলছে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
পাবনার ইছামতি পাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। লুটপাট রোধে ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় জেলার সকল প্রেসক্লাবের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে বিষয়টি মনিটরিং করছেন বলে জানা গেছে।
পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের দাবি, ইছামতিকে বাঁচাতে খননের মাটি যথাযথ স্থানে রেখে জনস্বার্থ রক্ষা করতে হবে এবং লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
মতামত