খোলা চিঠিতে বলা হয়, সাধারণ গ্রাহকদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও সারাদেশে জোরপূর্বক প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগ চুরি ও অপচয় রোধের অজুহাত দিলেও বাস্তবে এটি গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ ও ভোগান্তি তৈরি করছে। প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে আগাম টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ কেনা এবং ব্যালেন্স শেষ হওয়ামাত্র সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াকে 'বিদ্যুৎ আইন-২০১৮-এর ৫৬ ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ ও ভ্যাটসহ নানা লুকোচুরি খরচের কারণে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। এছাড়া রিচার্জ ও সার্ভার জটিলতায় গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিগত সরকারের আমলে এই প্রকল্পকে ঘিরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে এবং এর মাধ্যমে বিপুল অর্থ লোপাটের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিতর্কিত এই প্রকল্প স্থগিত রেখে গ্রাহকদের মতামত গ্রহণ ও বিষয়টিতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি।
মতামত