গত বুধবার (৪ মার্চ) সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তাদের অনুপস্থিত দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর প্রেক্ষিতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনসহ তিনজনকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়। কিন্তু তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয় গোদনাইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিতর্কিত কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্রকে।
স্থানীয়দের দাবি, চোর তাড়াতে গিয়ে ডাকাত আনা হয়েছে। দুলাল চন্দ্র ইতিপূর্বে বক্তাবলী ও গোদনাইলে থাকাকালীন সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কদমতলী এলাকার ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন জানান, নামজারির জন্য দুলাল চন্দ্র তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন, যা দিতে না পারায় আজও তার কাজ হয়নি। এছাড়া এক নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে জেলা প্রশাসকের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ও বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, দুলাল চন্দ্র একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও অদৃশ্য খুঁটির জোরে তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। বর্তমান জেলা প্রশাসক রায়হান কবিরের কাছে তার অপকর্ম তদন্ত করে এই পদায়ন বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জবাসী।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, দুলাল চন্দ্র দেবনাথকে সাময়িকভাবে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। জেলার প্রতিটি ভূমি অফিস আমাদের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।
মতামত