অভিযুক্তরা হলেন, মো. জামান, নুরুদ্দিন, বুইট্টা শাহিন, পাখির আলী, বারেক, রিপন, সিয়াম ও মিজান। তারা সবাই স্থানীয় নিমাইকাশারী এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা রহমত উল্লাহর হোসিয়ারি কারখানায় গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সোমবার সন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসীরা কারখানায় ঢুকে তাকে গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করে। এসময় তার ছোট ভাই মো. লিটন মিয়া বাধা দিলে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়।
ভুক্তভোগী রহমত উল্লাহ জানান, আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা এলাকা ছেড়ে যাওয়ার সময় হুমকি দেয় যে, চাঁদা না দিলে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। এমনকি বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিলে তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত