সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় দেখা গেছে, নিচু জমিগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে আছে। অনেক চাষি আলু তুলে শুকানোর জন্য মাঠেই রেখেছিলেন, যা এখন পানির নিচে। এই আলু পচে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, প্রবল বাতাসে ভুট্টা ও গমগাছ মাটিতে নুয়ে পড়ায় ফলন বিপর্যয়ের দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা।
স্থানীয় এক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, বৃষ্টিতে ধানের কিছুটা উপকার হলেও আলুর সর্বনাশ হয়ে গেল। সব আলু পচে যাওয়ার ভয় করছি। আরেক ভুট্টা চাষি জানান, ঝড়ো বাতাসে তার খেতের বেশির ভাগ গাছ পড়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম জানান, কৃষি কর্মকর্তারা বর্তমানে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মতামত