খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেছেন এবং নানাভাবে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবুও রাজপথ ছেড়ে যাননি এই প্রভাবশালী বিএনপি নেতা।
মামুন মাহমুদের এই নিয়োগের সংবাদে তার অনুসারী ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, বিগত প্রতিটি আন্দোলনে অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। বারবার জেল-জুলুম সহ্য করেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। নারায়ণগঞ্জের রাজপথে তিনি ছিলেন আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারি।
নেতাকর্মীরা আরও বলেন, অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত করায় আমরা বর্তমান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা আশাবাদী, আগামী দিনে দল ও দেশের স্বার্থে তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত করা হবে।
নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, আমার প্রাণের দল বিএনপির অভিভাবক ও বর্তমান সরকারের প্রাণপুরুষ দেশনায়ক তারেক রহমান আমার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমি তাতে অত্যন্ত আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। দল যখন যে দায়িত্ব দেবে, আমি তা পালনে সচেষ্ট থাকব।
তিনি আরও যোগ করেন, আগামী দিনে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাব।
মতামত