স্থানীয়দের অভিযোগ, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ফতুল্লা থানা যুবলীগের এক শীর্ষ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে রতন ও তার পিতা তাজুল মিয়া। মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে ডাকাতি সবকিছুতেই তাদের একক আধিপত্য ছিল। বাবার প্রশ্রয়ে রতন গড়ে তুলেছে বিশাল এক অপরাধী চক্র। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরও তারা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, কানাইনগর ও বেতকা সড়কটি এখন ডাকাত সড়ক হিসেবে পরিচিত। এই সড়কে সম্প্রতি এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর প্রাইভেটকার আটকে সর্বস্ব লুটে নেওয়ার ঘটনায় রতনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মামলা হয়েছে। গত বছরের এপ্রিলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও জামিনে বেরিয়ে এসে সে আরও হিংস্র হয়ে উঠেছে। বর্তমানে পুলিশি টহল কম থাকার সুযোগে এই সড়কটিকে তারা ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করছে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম আহমেদ জানান, রতনের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অনুসন্ধান চলছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অপরাধী যেই হোক, পাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
সাধারণ মানুষ ঈদে কেনাকাটা করে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত টহলের দাবি জানিয়েছেন।
মতামত