সরেজমিনে দেখা গেছে, বাহারি ডিজাইনের থান কাপড়, থ্রিপিস এবং পাঞ্জাবির কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। পাইকারি ও খুচরা উভয় বিক্রয়কেন্দ্রে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে কেনাবেচা। উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা এখানে ভিড় করছেন।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, এবার সুতি ও লিনেন কাপড়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। প্রকারভেদে থ্রি-পিস ৪০০ থেকে ১,৬০০ টাকা এবং পাঞ্জাবির কাপড় প্রতি গজ ১৩০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় অরবিন্দু, চায়না ও দেশি শার্টের পিস পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ থেকে ১,২০০ টাকার মধ্যে। গজ কাপড়ের মধ্যে বেক্সি ভয়েল ৯০ টাকা ও মাইক্রো ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সুইট লেডিস কর্নার এন্ড টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী জিয়াউর রহমান (সুইট) বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা বেশ ভালো। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে এবার ব্যবসায়ীরা লাভের মুখ দেখছেন। আশা করছি, ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে ভিড় আরও বাড়বে।
দারিযাপুর থেকে আসা ক্রেতা মোছা. মীম জানান, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার কাপড়ের মান ও দামের সামঞ্জস্য রয়েছে। তবে বাজারে ভিড় ও যানজট এড়াতে আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কেবল কাপড় কেনাই নয়, টেইলার্সগুলোতেও এখন কারিগরদের দম ফেলার সময় নেই।
মতামত