অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছরের ২২ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত রবি রায়কে ২ বছরের সাজা প্রদান করেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী, কোনো কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকলে তার চাকরি স্থগিত হওয়ার কথা। কিন্তু রবির ক্ষেত্রে নিয়ম ভেঙে প্রতি মাসেই বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে।
জাবরহাট-বৈরচুনা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, রবি দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এন এম ইশফাকুল কবির বেতন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) গোলাম ফেরদৌস বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, এই ঘটনা প্রশাসনের জবাবদিহিতার অভাব ও দুর্নীতির বহিঃপ্রকাশ।
মতামত