সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বাকিরা বাড়িতে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান জানান, ২০১৮ সালের পর বড় পরিসরে কোনো টিকা ক্যাম্পেইন না হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছে। তিনি বলেন, ছয়টি নমুনা পরীক্ষায় হাম ও রুবেলা নিশ্চিত হওয়া গেছে। আক্রান্তদের চিকিৎসাসহ আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ৪ শয্যার একটি আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল জানান, আক্রান্ত শিশুরা বর্তমানে বিপদমুক্ত ও চিকিৎসাধীন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। টিকাদানে অনীহা বা অসম্পূর্ণ টিকাদানের কারণে এমন সংক্রমণ হতে পারে। শিশুদের জ্বর, কাশি ও শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
মতামত