জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সহিংসতা ও নাশকতার মামলায় মারুফ এজাহারভুক্ত আসামি হন। মামলার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হন। দীর্ঘদিন পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় জনসেবা বিঘ্নিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেয় জেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের এক আদেশে তাকে পুনরায় দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেওয়া হলে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। সচেতন মহলের দাবি, গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত কাউকে স্বপদে ফেরানো আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাইমিন ইসলাম মারুফ বলেন, আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত। সরকারি নির্দেশনা মেনেই পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানান, জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত অনুলিপি পাওয়ার পরেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
এদিকে, এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও সচেতন মহল। তাদের মতে, মামলার সুষ্ঠু নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এমন পুনর্বহাল জনমনে ভুল বার্তা দিচ্ছে।
মতামত