স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে লামাপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ মিঠু ও মামুনের হাতে। সম্প্রতি মামুন একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরিয়ে আসার পর আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তাদের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে পরিচিত সবুজ, রবিন ও আরও কয়েকজন এই সিন্ডিকেটের মাদক কেনাবেচা দেখাশোনা করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, লামাপাড়ার অলিগলিতে এখন মাদকের অবাধ বিচরণ। হাতের নাগালে মাদক পাওয়ায় স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও আসক্ত হয়ে পড়ছে। সিন্ডিকেটের সদস্যদের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইতিপূর্বে এলাকায় একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও থামেনি এই কারবার।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত রয়েছে।
লামাপাড়ার শান্তিশৃঙ্খলা ফেরাতে এবং এই শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গুঁড়িয়ে দিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
মতামত