পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ১২টার পর থেকে আব্দুল জলিলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাওন কুমার সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। সোমবার সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বীরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।
মতামত