উচ্ছেদ চলাকালীন একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, আকরাম নিজেকে বড় নেতা পরিচয় দিয়ে তাদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নিতেন। টাকা দিতে দেরি হলে দোকান তুলে দেওয়ার হুমকিও দিতেন তিনি। তারা আরও জানান, দলীয় পদের দোহাই দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় একক আধিপত্য বজায় রেখে আসছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আকরাম শুধু চাঁদাবাজিই নয়, বরং মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আকরামের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। সে নিজে মাদক সেবন করে এবং এলাকায় মাদক বিক্রিতে সহায়তা করে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা বা হামলার হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, বিএনপিতে কোনো চাঁদাবাজ বা মাদকসেবীর জায়গা নেই। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে কেউ যদি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে চায়, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিদ্ধিরগঞ্জের মাটিতে আমরা কোনো অপকর্ম সহ্য করব না।
বিপাকে পড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু উচ্ছেদ নয়, বরং আকরামের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনা হোক যাতে এলাকায় শান্তি ফিরে আসে।
মতামত