অনুসন্ধানে জানা যায়, কায়েমপুর শহীদ তিতুমীর একাডেমির পাশে নিজের মাদকের স্পট সুরক্ষিত রাখতে অভিনব কায়দা বেছে নিয়েছেন আনু। প্রশাসনের গতিবিধি ও বহিরাগতদের ওপর নজর রাখতে তিনি স্পটের চারপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। এই প্রযুক্তির আড়ালে তিনি নির্বিঘ্নে মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
শুধু মাদক নয়, কায়েমপুর এলাকার অস্থায়ী বাজারটিও এখন আনুর দখলে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতিদিন প্রতিটি দোকান থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করা হয়। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭ হাজার টাকা চাঁদা তোলেন তিনি। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয়রা জানান, রাতারাতি বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া আনুর প্রভাবে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, মাদকের আখড়া আর চাঁদাবাজিতে আমরা অতিষ্ঠ। স্কুলগামী সন্তানদের নিয়ে আমরা শঙ্কিত।
এলাকাবাসীর দাবি, ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ যেন দ্রুত অভিযান চালিয়ে এই মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির আখড়া গুঁড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দেয়।
মতামত