সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল। গত ৩০ মার্চ তৃতীয় তলার একটি পিলারের অংশ ভেঙে পড়লে আতঙ্ক আরও ঘনীভূত হয়। বর্ষা না আসতেই শিক্ষক মিলনায়তনে জমে থাকে দুর্গন্ধযুক্ত পানি, যা এডিস মশার প্রজননকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ এই ভবনেই ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন ১৪ জন শিক্ষক।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূরুন্নাহার বলেন, ভবনটি এখন মৃত্যুফাঁদ। জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। অভিভাবকরা জানান, সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে তারা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকেন। শিক্ষার্থীরাও জানায়, ক্লাস চলাকালীন ভয়ে তাদের মন পড়াশোনায় বসে না।
সোমবার (৬ এপ্রিল) স্কুলটি পরিদর্শনে যান নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন খান। ভবনের অবস্থা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি করে লাভ নেই। শত শত শিশুর জীবন বাঁচাতে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, কোনো বড় ট্র্যাজেডি ঘটার আগেই প্রশাসন জরাজীর্ণ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে আধুনিক ও নিরাপদ পাঠদান পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
মতামত