স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম তার মনোহারি দোকানেই রাত্রিযাপন করতেন। ভোরে স্থানীয় মুসল্লিরা দোকানের সাটার খোলা এবং ভেতরে মালামাল এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। পরে ভেতরে কামরুলের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। স্বজনদের দাবি, ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ টাকাও লুট করা হয়েছে।
সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোকাররম হোসেন জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা বলেন, খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। তদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মতামত