উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে গ্লুকোমিটার ও ওষুধের ঘাটতি দেখা দিলে জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদের নির্দেশনায় দ্রুত এই পদক্ষেপ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল ইসলাম। সরবরাহিত সরঞ্জামগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০ ভায়াল এন্টিভেনম, ৪০ ভায়াল এন্টি-র্যাবিস ইনজেকশন, ২৬টি গ্লুকোমিটার মেশিন ও ২৬০০ পিস স্ট্রিপ।
উল্লেখ্য, এর আগে গত মার্চ মাসে সাবেক ইউএনও সালেক মূহিদ একটি হরমোন এনালাইজার মেশিন ও আইপিএস প্রদান করেছিলেন। আইপিএস সুবিধার ফলে লোডশেডিংয়ের সময় টর্চ লাইট জ্বালিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার কষ্টকর পরিস্থিতির অবসান হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটন বলেন, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহে জেলা প্রশাসক ও ইউএনও মহোদয়ের এই সহযোগিতা রোগীদের সেবায় বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আইপিএস সুবিধার ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও এখন নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
মতামত