রতন জানান, শুরুর দিকে অনেকেই তার এই উদ্যোগ নিয়ে উপহাস করেছিলেন। কিন্তু দমে না গিয়ে নিজের লক্ষ্য অটুট রাখেন তিনি। বর্তমানে তেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হলে তার এই সাশ্রয়ী বাইকটি সবার নজরে আসে। রতন বলেন, এখন তেলের ভোগান্তি দেখে মানুষ আমার কাছে এসে প্রশংসা করছে এবং তাদের বাইকও ব্যাটারিচালিত করার আগ্রহ দেখাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু হানিফ ও জাহাঙ্গীর জানান, তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, যা চরম ভোগান্তির। রতনের এই বাইকটিতে তেল লাগে না, শব্দ হয় না এবং খরচও যৎসামান্য। ফলে অনেক বাইক চালকই এখন তাদের পেট্রোল চালিত মোটরসাইকেলকে ব্যাটারি সিস্টেমে রূপান্তর করতে রতনের শরণাপন্ন হচ্ছেন।
রাণীশংকৈল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. মিঠুন এই উদ্যোগকে সাধারণ মানুষের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন। তিনি মনে করেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে রতন আরও বড় পরিসরে কাজ করতে পারবেন।
রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা বেগম রতনের সৃজনশীলতার প্রশংসা করে বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এটি একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব।
মতামত