সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) হকার উচ্ছেদ কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেন অঞ্জন দাস। ওই সময় নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সাথে থেকে উচ্ছেদ অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি প্রশংসিতও হন। কিন্তু ঠিক সাত দিনের মাথায় আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে উচ্ছেদের প্রতিবাদে আয়োজিত হকারদের বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন তিনি।
সমাবেশে অঞ্জন দাস বলেন, আমরা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে নই, তবে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিকল্প কর্মসংস্থান বা নির্দিষ্ট স্থানে ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ বন্ধ রাখতে হবে।
এ সময় তিনি বিকেল ৫টার পর ফুটপাতে বসার সুযোগ দেওয়ারও দাবি জানান।
তার এই হঠকারী সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। সাধারণ মানুষের মতে, যে ব্যক্তি নিজে উপস্থিত থেকে হকার উচ্ছেদ করালেন, তিনিই আবার পুনর্বাসনের দোহাই দিয়ে তাদের পক্ষ নিচ্ছেন এটি জনগণের সাথে প্রতারণা।
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে অঞ্জন দাসকে নিয়ে শুরু হয়েছে কাঁটাছেঁড়া। স্থানীয় বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক স্বার্থে এমন দ্বৈত চরিত্র বা বারবার পক্ষ বদল করা একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছে কাম্য নয়।
উল্লেখ্য, অঞ্জন দাস গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। নির্বাচনী মাঠ থেকে দীর্ঘ বিরতির পর হকার ইস্যুতে মাঠে ফিরে এমন বিতর্কিত ভূমিকা তাকে এখন মিডিয়াপাড়া ও জনমুখে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
মতামত