পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কাজের বিভিন্ন ত্রুটি হাতেনাতে ধরেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ কার্পেটিংয়ের পাথর উঠে যাচ্ছে, আরসিসি ঢালাই সিডিউল অনুযায়ী হয়নি এবং রাস্তার উচ্চতাও সঠিক নয়। ঠিকাদারের লোকজন স্থানীয়দের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগও উঠে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা আল মোমিন ও মশিউর রহমান জানান, সরকারি অর্থ লুটপাটের এই মহোৎসব দেখে তারা ক্ষুব্ধ ছিলেন। অভিযোগ জানিয়েও প্রকৌশলীদের সাড়া পাননি। তবে ডিসি স্যারের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে তারা বিচার পাওয়ার আশা দেখছেন।
ঠাকুরগাঁও এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয় পরিদর্শনে গিয়েছেন। টেকনিক্যাল টিম দিয়ে কাজের মান যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, স্থানীয়দের ফোন পেয়ে আমি প্রকৌশলীদের নিয়ে স্পটে যাই। সেখানে অভিযোগের সত্যতা ও কিছু অস্পষ্টতা দেখা গেছে। এলাকাবাসীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকে পাওয়া যায়নি এবং উপজেলা প্রকৌশলী মাবুদ হোসেনের ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। জেলা প্রশাসকের এই ঝটিকা অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে প্রশংসার জোয়ার বইছে।
মতামত