দীর্ঘদিন সৌদি আরব প্রবাসী আবুল কালাম দেশে ফিরে চার বিঘা জমিতে আঙুর চাষ শুরু করেন। ইউটিউব দেখে শেখা এই চাষে এখন তার বাগানে প্রায় এক হাজার ২০০ গাছ রয়েছে। আঙুরের পাশাপাশি তার বাগানে বেদানা, ড্রাগন, মাল্টা ও আপেলসহ ৩০ প্রজাতির ফল রয়েছে।বাগান তৈরিতে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯ লাখ টাকা। চলতি মৌসুমে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ মণ আঙুর বিক্রির আশা করছেন তিনি। ফলন ভালো হলে প্রায় ১০ লাখ টাকার আঙুর বিক্রি হতে পারে।
চাষি আবুল কালাম জানান, মার্চ মাসে ফুল আসে এবং জুন-জুলাইয়ে ফল সংগ্রহের উপযোগী হয়। তার দাবি, গত বছরের ফলন ছিল বেশ মিষ্টি ও রসালো। এবারও ভালো মিষ্টতা বজায় থাকলে বাগান থেকেই সব বিক্রি হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন তার আঙুর তলায়। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বাগান পরিদর্শন করে বলেন, এই এলাকার মাটি আঙুর চাষের জন্য উপযোগী। আবুল কালামের বাগানের ফলন আশাব্যঞ্জক। আঙুরের মিষ্টতা ও গুণমান যাচাই করে আমরা অন্য চাষিদেরও এই ফল চাষে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা করছি।
কৃষি বিভাগ মনে করছে, বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ ছড়িয়ে দিলে দেশের আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং স্থানীয় কৃষকরা লাভবান হবেন।
মতামত