সরেজমিনে দেখা যায়, আশিরোর্ধ্ব হাফিজুর রহমান শারীরিক অক্ষমতার কারণে কাজ করার সামর্থ্য হারিয়েছেন অনেক আগেই। অভাবের তাড়নায় কখনো কখনো হাত পাততে হয় অন্যের দ্বারে। সন্তানরা থাকলেও তারা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত, খোঁজ নেন না বৃদ্ধ বাবা-মায়ের। জরাজীর্ণ ঘরের ফুটো দিয়ে যেমন আকাশ দেখা যায়, তেমনি এই দম্পতির চোখেও ফুটে উঠেছে চরম অনিশ্চয়তার ছাপ।
কান্নাভেজা চোখে হাফিজুর রহমান বলেন, বাপু, ঘরটা যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। বৃষ্টি হলে পানি ঢোকে, রাতে ঘুমাতে পারি না। সন্তানদের কাছে চেয়েও খাবার পাই না। তার স্ত্রী জানান, অনেক দিন তাদের আধা-পেটা বা না খেয়েই দিন পার করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, এই অসহায় দম্পতির ভাগ্যে এখনো জোটেনি সরকারি বা বেসরকারি বিশেষ কোনো সহায়তা। শেষ বয়সে একটু শান্তিতে থাকতে একটি নিরাপদ ঘর ও খাবারের সুব্যবস্থা করতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
মতামত