স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৭ বছরের শাসনামলে সাবেক কাউন্সিলর ও শীর্ষ সন্ত্রাসী পানি আক্তারের অন্যতম সহযোগী ছিল এই রমজান। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর শীর্ষ নেতারা আত্মগোপনে গেলেও রমজান এলাকায় পুনরায় আবির্ভূত হয়ে একক মাদক সাম্রাজ্য কায়েম করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, থানা পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কারণে রমজান বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে। সম্প্রতি যৌথ বাহিনীর অভিযানে তার মা আয়েশা বেগম গ্রেপ্তার হলেও রমজান সটকে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযানের খবর আগেই তার কাছে পৌঁছে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, রমজানের স্ত্রী রোজি বেগম ও ভাই ফয়সালের স্ত্রী পুতুল মূলত লিয়াজোঁ মেইনটেইন করেন। পরিবারের কেউ গ্রেপ্তার হলে তারা থানা ও আদালত দৌড়ঝাপ করে দ্রুত জামিন নিশ্চিত করেন। রমজানের ভাই ফয়সাল নিজেকে ভাঙারি ব্যবসায়ী দাবি করলেও তার আয়ের মূল উৎস মাদক ব্যবসা বলে জানান এলাকাবাসী।
বিহারী ক্যাম্প এলাকার সাধারণ বিক্রেতা ও সেবীরা গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতা রমজান কেন গ্রেপ্তার হচ্ছে না, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা লাবনী ও সোনি জানান, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রশ্রয়েই রমজান আজ অপ্রতিরোধ্য।
আদমজী বিহারী ক্যাম্পকে মাদকমুক্ত করতে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এই শীর্ষ মাদক সম্রাট ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
মতামত