স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে জনৈক সুজন দাসের কিশোর ছেলের মাধ্যমে সংক্রমণের শুরু। বর্তমানে আক্রান্তদের শরীরে তীব্র জ্বর, চরম দুর্বলতা এবং চোখ-মুখ হলুদ হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। অনেক রোগী সুস্থ হলেও প্রতিদিন নতুন করে মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। তবে সচেতন এলাকাবাসী ঝাড়ফুঁকের মতো কুসংস্কারে পা না দিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. হাবিব-ই-রসুল (লিটন) জানান, ওই এলাকা থেকে আসা রোগীদের পরীক্ষায় অধিকাংশেরই হেপাটাইটিস এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।
ইতোমধ্যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মতামত