অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে মদনপুর এলাকার ফাতেমা আক্তার নিলার সাথে মো. পলাশের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নিলার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ পরিবারের। পলাশ গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর এই নির্যাতন আরও চরম আকার ধারণ করে।
সেতারা বেগম অভিযোগ করেন, গত নভেম্বর মাসে নিলা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে স্বামী পলাশ তাকে যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে অবহেলায় ঘরে ফেলে রাখেন। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযোগকারীর দাবি, নিলার মৃত্যুর পর তার গচ্ছিত প্রায় ৭ থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করেছেন পলাশ এবং এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
আবেদনকারী সেতারা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়ের জীবনে কোনো দিন শান্তি ছিল না। আমি বিশ্বাস করি, প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।
বন্দর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত