স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধি পেলে সেতুটি প্রায় ডুবে যায়, ফলে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। এতে প্রতিদিনের যাতায়াতে দুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
এই সেতুর ওপর দিয়েই স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ছোট ছোট শিশুরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হচ্ছে। কৃষকদের জন্যও পরিস্থিতি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঠের ফসল ঘরে তুলতে কিংবা বাজারে নিতে গিয়ে তাদের বাড়তি ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল কিংবা সাইকেল নিয়ে চলাচল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জরুরি অসুস্থ রোগীকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নেওয়ার ক্ষেত্রে এই সেতুটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী ও টেকসই সেতু নির্মাণ করা হলে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে।
এ বিষয়ে শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এটি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
মতামত