ভুক্তভোগী ছাত্রের অভিভাবকের অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ জুলাই রাতে নয়ামাটি মুসলিমপাড়া এলাকার উম্মুল কুরা নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার হেফজখানায় ঘুমন্ত ওই ছাত্রকে বলাৎকার করেন শিক্ষক আহমাদ। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং পুলিশ শিক্ষককে আটক করে। পরবর্তীতে আপস-মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগীর স্বজনরা তাকে জিম্মায় নেন।
এদিকে শিক্ষকের বাবা ও মাদ্রাসার মুহতামিম সোলাইমান বিন হাফিজের পাল্টা অভিযোগে দাবি করা হয়, আপস-মীমাংসার নামে ভুক্তভোগীর আত্মীয় ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষককে মারধর করা হয়। তবে এ দাবি অস্বীকার করে ছাত্রের পরিবার জানায়, মীমাংসা না হওয়ায় তারা শেষ পর্যন্ত আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, দুই পক্ষ থেকেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত