কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সার ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ২০০৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী তারা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ওই নীতিমালার আওতায় নির্ধারিত জামানত জমা দিয়ে তারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সার বিক্রির অনুমতি পান এবং প্রান্তিক কৃষকদের কাছে নগদ ও বাকিতে সার সরবরাহ করে কৃষি উৎপাদনে ভূমিকা রেখে আসছেন।
তাদের অভিযোগ, গত বছরের নভেম্বরে হঠাৎ করে নতুন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়, যেখানে বিদ্যমান খুচরা ডিলারদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি। এতে দেশের প্রায় ৪৪ হাজার খুচরা সার ব্যবসায়ীর মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণসহ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়ে তারা বলেন, এতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরবর্তীতে সময়সীমা বাড়ানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি।
এর আগে একই দাবিতে বিভিন্ন সময়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। জাতীয় পর্যায়েও মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমাধান না পাওয়ায় তারা নতুন করে দাবি জোরদার করছেন।
সার ব্যবসায়ীদের দাবি, খুচরা ডিলারদের বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং কৃষকেরাও এর প্রভাব ভোগ করবেন। তারা সকল পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও টেকসই নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান।
মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে স্থানীয় খুচরা সার ডিলারদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত