হাটগুলো হলো, নাসিক ১৯নং ওয়ার্ডের শীতলক্ষ্যা ব্রিজের নিচ ও পাওয়ার হাউস সংলগ্ন এলাকা, ২০নং ওয়ার্ডের ফরাজিকান্দা উত্তরপাড়া এবং বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের টোলপ্লাজা সংলগ্ন ফরাজিকান্দা বালুর মাঠ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪টি হাটেরই প্রবেশপথ ও চলাচলের রাস্তা একই হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা গরু ব্যাপারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র কয়েকশ গজের ব্যবধানে এতগুলো হাট বসানোয় ইজারাদারদের সমর্থকদের মধ্যে যেকোনো সময় সংঘর্ষের সূত্রপাত হতে পারে।
এলাকাবাসী জানায়, ফরাজিকান্দা বালুর মাঠের হাটটি দীর্ঘদিনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী। তবে এবার ওই হাটের ঠিক পাশেই নতুন করে আরও দুটি অস্থায়ী হাটের দরপত্র আহ্বান করেছে সিটি কর্পোরেশন। অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত হাট স্থাপনের ফলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতির পাশাপাশি শীতলক্ষ্যা ব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং কোরবানির পশুর হাটের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয়রা জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মতামত