কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এদিন ১০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে মেশিনগুলো বিতরণ করা হয়, যার প্রতিটির বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। জেলায় বর্তমানে নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৭০ জন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী উদ্যোক্তা রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাসিরুল আলম বলেন, উঁচু এলাকা হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের জমিগুলোতে সারা বছরই নিবিড় চাষাবাদ হয়। এতে মাটির জৈব গুণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় কেঁচো সার উৎপাদনের উদ্যোক্তা তৈরি এবং তাদের উৎসাহিত করতেই এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আগামীতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মেশিন বিতরণকালে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সঙ্গী সরকার শান্তাসহ স্থানীয় ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা ও উপকারভোগী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত