নিহত নাছির ওই এলাকার মৃত সাইজ্জদিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রেন্ডস ক্যাবল নামে ওই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার দুপুরেও নিজের অফিসে অবস্থান করছিলেন নাছির। হঠাৎ তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত উদ্ধার করে খানপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আলাউদ্দিন নামে স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ঘটনার পরপরই কালো পাঞ্জাবি পরিহিত এক ব্যক্তিকে রক্তমাখা ছুরি হাতে মাইক্রোস্ট্যান্ডের দিকে দৌড়ে পালাতে দেখেছেন তিনি।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থলের পাশের একটি বাড়ি থেকে কালো হাতলযুক্ত রক্তমাখা ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার মূল কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত