পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারাবো উত্তরপাড়া এলাকার শ্রাবণ ও রুবেল গ্রুপের সঙ্গে দক্ষিণপাড়া এলাকার নাজমুল ও নবী ভান্ডারীর গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে উভয় পক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং ১৩-১৪টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুলিবিদ্ধ রনি মিয়া চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা। সে নবী ভান্ডারীর পক্ষে সংঘর্ষে অংশ নিয়েছিল বলে জানা গেছে।
সংঘর্ষ চলাকালে হামলাকারীরা তারাবো বাজারের আব্দুর রফিক, মাহমুদ হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাকের ফলের দোকান, সেলিমের রেস্টুরেন্টসহ তিনটি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। খবর পেয়ে রাত পৌনে ১২টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত