ভুক্তভোগী কাজী সুমন বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার বাসিন্দা এবং একটি পোশাক কারখানার নিটিং ডাইং ম্যানেজার।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সন্ত্রাসী চোরা মতিন, তার ছেলে রাব্বি, রাসেল ও লেবার রাসেলসহ একটি চক্র সুমনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় শনিবার সকালে তারা সুমনের বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে দুপুরে ডকইয়ার্ডের সামনে তাকে একা পেয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় চক্রটি। এ সময় রাব্বি ধারালো রামদা দিয়ে কুপিয়ে সুমনের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয় এবং অন্যরা বেধড়ক পিটিয়ে তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ক্ষত গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে তাকে জরুরি ভিত্তিতে পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
মতামত