স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী শিশুটি বোনের বাসা থেকে নিজ বাসায় ফিরছিল। পথে প্রতিবেশী ফারুক মোল্লা আম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে স্থানীয় হাজী ফোরকান আহমেদের গরুর খামারের একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধষর্ণের চেষ্টা করলে সে চিৎকার শুরু করে।
চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত দরজা খুললে শিশুটি বেরিয়ে এসে উপস্থিত জনতার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয়রা ফারুককে তাৎক্ষণিক গণপিটুনি দেয়। ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা চালালে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাকিরুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত ফারুক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃত ফারুক পটুয়াখালীর গলাচিপা থানার চর বিশ্বাস এলাকার মৃত আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে। তিনি সৈয়দ পাড়া এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদালুল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ফারুক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন এবং আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মতামত