ভুক্তভোগী জুম্মন ভূঁইয়া জানান, স্থানীয় সোহেল ভূঁইয়া ও তাঁর লোকজন দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ ভূঁইয়া এবং বড় ভাই সুমন ভূঁইয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহেল, তুষার, সাদ্দাম ও রোমানসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁদের মুদি দোকানে হামলা চালায়। হামলাকারীরা দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ ভূঁইয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে এবং জুম্মন ও সুমনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত সোহেল মিয়া নিজে আহত দাবি করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হলেও পরে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদল কুমার সাহা বলেন, সোহেল ভূঁইয়া নামের এক রোগী ভর্তি হলেও পরে তিনি কাউকে না জানিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সোহেল ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, এই ঘটনায় উভয় পক্ষ থেকেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত