সভায় সম্ভাব্য পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং এ বিষয়ে দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের লক্ষ্যে উভয় পক্ষ বিস্তারিত আলোচনা করেন। এতে নগরীর ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা, বিদ্যমান সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
জানা গেছে, বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ নগরীতে দৈনিক প্রায় ১২ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। তবে দ্রুত নগরায়ণ ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যতে এ চাহিদা বেড়ে দৈনিক প্রায় ৫১ দশমিক ২ কোটি লিটারে পৌঁছাতে পারে। এই বিপুল চাহিদা মেটাতেই আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পানি শোধনাগার স্থাপনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল এই নগরীর ভবিষ্যৎ পানির চাহিদা বিবেচনায় এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। আধুনিক পানি শোধনাগার স্থাপনের মাধ্যমে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায় এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন নগর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় প্রকল্পের কারিগরি, আর্থিক ও বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নারায়ণগঞ্জের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
মতামত