স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেগুনবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুকের নির্দেশে ফরহাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি মাহাদই পুকুরপাড় এলাকার ওই সরকারি গাছগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল হোসেনকে জানালে তিনি স্থানীয় বাজার থেকে গাড়িসহ গাছগুলো জব্দ করেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল হকের নির্দেশে ঘটনাস্থলে লাল পতাকা টানিয়ে সরকারি জমি চিহ্নিত করা হয়।
অভিযুক্ত ফরহাদ হোসেনের দাবি, গাছগুলো তাঁর নিজের রোপণ করা। ফসল উৎপাদনে সমস্যা হওয়ায় এবং বিএনপি নেতা গোলাম ফারুকের অনুমতি নিয়েই তিনি গাছগুলো কেটেছেন। উল্টো প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন তাঁর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।
তবে টাকা দাবির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন বলেন, সরকারি গাছ চুরির খবর পেয়ে আমি তা জব্দ করি। প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের এই গাছ বিক্রির সাথে একাধিক ব্যক্তি জড়িত। এখন দায় এড়াতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বলেন, ফরহাদ লিজের কাগজপত্র দেখানোয় স্থানীয়ভাবে বসে গাছ কাটার কথা বলা হয়েছিল। সে দোষী হলে প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।
সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল হক জানান, ঘটনাস্থল থেকে গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মতামত