জানা গেছে, এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নদী পারাপার হন। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরোনো জেটি পানির নিচে তলিয়ে যেত। ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকির মধ্যে পারাপার করতে হতো। গত বছর ঘাটটির ইজারা গ্রহণ করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ১১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন। ইজারা পাওয়ার পর থেকেই তিনি যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে নতুন জেটি নির্মাণের জন্য বিআইডব্লিউটিএর কাছে আবেদন জানান। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহার আগে এই জেটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে হাজীগঞ্জ অংশের জেটি নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং নবীগঞ্জ অংশের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
নতুন জেটি নির্মাণে সন্তোষ প্রকাশ করে যাত্রীরা বলেন, বছরের পর বছর বর্ষা এলেই জেটি ডুবে যাওয়ায় আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। নতুন জেটি নির্মাণের ফলে সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে পারাপার করা যাচ্ছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন জেটির মাধ্যমে হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে পারাপার ব্যবস্থা আরও নিরাপদ ও আধুনিক হবে এবং বছরের সব সময় যাত্রীদের দুর্ভোগমুক্ত যাতায়াত নিশ্চিত হবে।
মতামত