মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোররাত ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিমের মৃত্যু হয়। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মিমের শরীরের ৫১ শতাংশ দগ্ধসহ শ্বাসনালী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
এর আগে একই ঘটনায় গত শুক্রবার (১২ জুন) মিমের মা সুলতানা বেগম (৩৫), গতকাল সোমবার (১৫ জুন) ভোরে বাবা আব্দুল মান্নান (৫০) এবং একই দিন সকালে ভাই সিয়াম (১৯) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুরো পরিবারটি শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্তমানে এই ঘটনায় দগ্ধ প্রতিবেশীর শিশু হযরত আলী (৮) শরীরের ৮ শতাংশ ক্ষত নিয়ে হাসপাতালের অবজারভেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মদনপুর ইউনিয়নের চানপুর এলাকার একটি একতলা বাড়িতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাঁচপুর ফায়ার সার্ভিস জানায়, ওই বাড়িতে তিতাস ও এলপিজি—উভয় গ্যাস সংযোগ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস সকালে রান্নার জন্য আগুন জ্বালাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।
মতামত