মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকেই হাসপাতালের রান্নাঘরসহ ভবনের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার, মেরামত ও রঙ করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তারাও পুরো কার্যক্রম তদারকি করছেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ জুন) এই হাসপাতাল থেকে দেশের ১০টি জেলায় আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধনকালে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সে সময় হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সিভিল সার্জনকে ভর্ৎসনা করে মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে বলেন, রান্নাঘরসহ সব জায়গা থেকে নোংরা ও বিপজ্জনক অব্যবহৃত জিনিসপত্র সরাতে হবে। এই সময়ের মধ্যে পরিষ্কার করতে না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির পরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, এই হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতা, বিশেষ করে রান্নাঘর ও ওয়াশরুমের বেহাল দশা এবং সুপেয় পানির সংকট নিয়ে ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। গণমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও কর্তৃপক্ষ আগে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন রোগী ও সচেতন মহল অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সুবিধাভোগী চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দাপটের কারণেই হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবামূলক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। সাধারণ মানুষ ও রোগীরা এই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং হাসপাতালের সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা দূর করতে বর্তমান সরকারের কাছে স্থায়ী ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
মতামত