এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া দুটি শর্টগান, একটি এয়ারগান, ৩৮ রাউন্ড গুলি, একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস, একটি ওয়াকিটকি ও অপরাধে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, চক্রটি অনলাইনে চীনা কোম্পানিসহ বিভিন্ন ভিআইপি ব্যক্তির নিরাপত্তারক্ষী পদে উচ্চ বেতনের ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন দিত। সেই বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে লাইসেন্সধারী ব্যক্তিরা বৈধ অস্ত্রসহ ইন্টারভিউ দিতে এলে তাদের একটি মাইক্রোবাসে তোলা হতো। পরে চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে ভুক্তভোগীদের রূপগঞ্জের ১০০ ও ৩০০ ফুট সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যেত চক্রটি।
গত ১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত একই কৌশলে চারটি অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রূপগঞ্জ থানায় তিনটি এবং ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা হয়। এসব মামলার তদন্তে নেমে জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত