অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিমাইকাশারী এলাকার রুবেল মিয়ার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আয়েশা আক্তারকে ডা. দিলরুবার পরামর্শে গত ২২ জুন সুগন্ধা হাসপাতালে সিজার করানো হয়। নির্ধারিত সময়ের আগে প্রসব করায় নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। পরে সাইনবোর্ডের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ জুন রাতে শিশুটি মারা যায়।
ঐ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান: জন্মের সময় যেখানে একটি শিশুর ওজন অন্তত আড়াই কেজি হওয়া উচিত, সেখানে এই শিশুটির ওজন ছিল মাত্র দেড় কেজি। চোখও ফোটেনি। ভুল সময়ে সিজারের কারণেই তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী পরিবার সুগন্ধা হাসপাতালে এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের ওপরই দোষ চাপায় বলে অভিযোগ। পরে রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডা. দিলরুবা আখতার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে রাজধানীর মাতুয়াইল শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান পরিচয় দিয়ে রোগী দেখছেন। তবে ওই প্রতিষ্ঠানের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, ডা. দিলরুবা সেখানে কর্মরত নন।
অভিযোগের বিষয়ে ডা. দিলরুবা আখতার বলেন, রোগীর জীবনের ঝুঁকি থাকায় একটু আগে সিজার করতে হয়েছে। আর মাতুয়াইল ইনস্টিটিউটের পরিচালক পদে আগে ছিলাম, এখন নেই।
সুগন্ধা হাসপাতালের মালিক বিএনপি নেতা কবির হোসেন জানান, স্বামীর অনুমতি নিয়েই সিজার করা হয়েছে, ডাক্তার জোর করেননি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম রেজা জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত