দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রায় ৩০টি মামলার শিকার হওয়া খাইরুল ইসলাম সজিবের বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু অভিযোগ এনে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে। তবে বিস্তারিত অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের কোনো ভিত্তি না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে সজিবের বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ প্রচার করাচ্ছে। এই মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এবং সজিবের ওপর আরোপিত দলীয় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা ও কর্মী জানান, এমপি মান্নানকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে একটি জনবিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী তার পরিবারের ওপর আঘাত করছে। এই চক্রান্ত কেবল একটি পরিবারের বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরো দলের ইমেজ ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা।
নেতাকর্মীদের দাবি, দুর্দিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই অপপ্রচার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরম বহিঃপ্রকাশ। সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতেই এই চক্রান্তের জাল বোনা হয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দলের স্বার্থে এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
মতামত