আটককৃতরা হলেন, শরীফ ফার্মাসিউটিক্যালসের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক এবং পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রতিনিধি সাগর।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরকে রোডের আইডিয়াল মোড়ে অবস্থিত ওই কুরিয়ার সার্ভিসের ওপর নজরদারি শুরু করে ডিএনসির একটি চৌকস দল। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে একটি পার্সেল থেকে ১৬ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার ও ওই দুজনকে আটক করা হয়।
রংপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবু জাফর বলেন, ওষুধের আড়ালে অভিনব কৌশলে পরিচালিত এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাদক পরিবহনের এই নতুন কৌশলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তারা এ ধরনের অপরাধ দমনে কুরিয়ার সেবাগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মতামত