স্থানীয়দের অভিযোগ, তারাবো ও কাঞ্চন পৌরসভা এবং ভুলতা ও মুড়াপাড়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক খালগুলো প্রভাবশালী মহল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে দখল-ভরাট করায় অল্প বৃষ্টিতেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার হাটাবো, কালাদি, বরপা, ভুলতা, গোলাকান্দাইল, শান্তিনগর, রূপসী ও যাত্রামুড়াসহ বেশ কিছু এলাকার ঘরবাড়িতে ২-৩ ফুট পানি জমেছে। তলিয়ে গেছে বহু রাস্তাঘাট ও নলকূপ, যার ফলে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। অনেক স্থানে পুকুর ভেসে গিয়ে মাছ চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জলাবদ্ধতার কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তার ওপর বিভিন্ন শিল্প-কারখানার রাসায়নিক বর্জ্য মিশ্রিত দুর্গন্ধযুক্ত কালো পানির কারণে ডায়রিয়া, চর্মরোগ ও ঠান্ডাজনিত পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বাদল কুমার সাহা জানান, এলাকায় চর্ম ও পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতাল থেকে তাদের চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তবে চর্মরোগ থেকে বাঁচতে সবাইকে এই দূষিত পানি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ভোগান্তির শিকার এলাকাবাসী স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
মতামত