পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী সুজন আলী প্রায়ই বালিকার ওপর নির্যাতন চালাতেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ৫-৬ মাস আগে দুই সন্তানসহ বাবার বাড়িতে চলে আসেন তিনি। ভোরে নিজ শয়নকক্ষে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মতামত