মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি মহাসড়কে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ভুয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাভার, গাজীপুর, কোনাবাড়ী, গাউছিয়া ও পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে তেল ও পণ্যবাহী ট্রাক থামিয়ে লুটপাট চালানো হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
মেসার্স নাটোর পরিবহন সংস্থার মালিক মো. মোস্তফা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সম্প্রতি আমাদের একটি ট্রাক থেকে প্রায় ২৭ লাখ টাকার ভোজ্যতেল ডাকাতি হয়। কিন্তু পুলিশ এটিকে ডাকাতি মামলা হিসেবে না নিয়ে, চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারায় (বিশ্বাসভঙ্গ ও আত্মসাৎ) মামলা নথিভুক্ত করেছে। ফলে প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে আর নিরীহ চালকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে মহাসড়কে পুলিশি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানান। একই সাথে ডাকাতির ঘটনাগুলোকে সঠিকভাবে রুজু করে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সমাবেশে নাটোর পরিবহন, বি ট্রান্সপোর্ট, নিউ এ আর ট্রান্সপোর্ট, সততা পরিবহন সংস্থাসহ নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রায় ২২টি শীর্ষস্থানীয় পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ভুক্তভোগী মালিক ও প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করেন।
মতামত