সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পাম্পের ভেতর থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত যানবাহনের লাইন বিস্তৃত হয়েছে। অতিরিক্ত গ্রাহকের চাপে কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে পেট্রোল ও অকটেনের মজুত শেষ হয়ে যায়। এতে অনেক চালককে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।
তেল নিতে আসা কয়েকজন চালক জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের সংকটের খবর দেখে তারা আগাম তেল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেন। ভবিষ্যতে তেল পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় একসঙ্গে কয়েকগুণ বেশি গ্রাহক আসায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন চালান পৌঁছালে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেও তারা জানান।
এদিকে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। গুজবে কান না দিয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে পাম্পে ভিড় না করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।
মতামত