বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে নাসিকের ১৫তম এই বাজেট ঘোষণা করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
বাজেটে কোনো নতুন কর না বাড়িয়ে বরং ছাদবাগানীদের গৃহকরে বিদ্যমান ২৭ শতাংশ ছাড়ের সঙ্গে আরও ২ শতাংশ (মোট ২৯%) ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯৩০ কোটি টাকা, যেখানে ১৩০ কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেটে নিজস্ব রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি আয়ের ৫২ শতাংশ বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প সহায়তা এবং বাকি অংশ সরকারি এডিপি ও পানি সরবরাহ খাত থেকে আসবে বলে জানানো হয়।
নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সুপেয় পানি সরবরাহ, খাল পুনরুদ্ধার ও জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মশক নিয়ন্ত্রণে বাড়তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মোট খরচের ৬৭ শতাংশ বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে এবং ৪৬ শতাংশ রাজস্ব খাত উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, অতীতে রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে নারায়ণগঞ্জ কাক্সিক্ষত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখন সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এটিকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
অনুষ্ঠানে নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সচিব নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এটি প্রশাসক হিসেবে সাখাওয়াত হোসেন খানের প্রথম বাজেট ঘোষণা।
মতামত